০১ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে
কুষ্টিয়া সেক্টর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে অত্র সেক্টর চুয়াডাংগা, ঝিনাইদহ,
মেহেরপুর এবং কুষ্টিয়া ০৪ টি জেলার ২৮৫ কিঃ মিঃ সীমান্ত এলাকার সীমান্ত রক্ষা ও
চোরাচালানী বিরোধী অভিযান সুচারুভাবে সম্পন্ন করে আসছে। বর্তমানে অত্র সেক্টরের
কমান্ডার কর্নেল জাবেদ সুলতান গত ০৩
সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে যোগদান করেন।
২০১৪ সালে অত্র সেক্টর
কর্তৃক সর্বমোট ৯১,০৩,৫১,৫৮৭ (একানববই কোটি তিন লক্ষ একান্ন হাজার পাঁচশত সাতাশি)
টাকার বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী মালামাল আটক করে। এর মধ্যে সর্বমোট ১,৪৯,৯০৬ বোতল
ফেন্সিডিল, ৩৮,৪৬৫ বোতল মদ এবং ১৪৭.০৮৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পরবর্তীতে
উদ্ধারকৃত মাদক জনসম্মূখে ধ্বংশ করে ব্যাপক জনসচেতনতার সৃষ্টি করে।
২০১৪ সালে শ্রেষ্ঠ সেক্টর হিসাবে অত্র
সেক্টর বিজিবি সদর দপ্তর হতে প্রথম স্থান অধিকারীর ট্রফি অর্জন করে।
গত ০৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
অত্র সেক্টর হতে ৩৫ পস্নাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং মোতায়েনকৃত বিজিবি
সদস্যগণ তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুন্দর ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছিল।
অত্র সেক্টরের অধিনস্থ ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ও ৪৭ বর্ডার
গার্ড ব্যাটালিয়ন, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাংগা জেলায় সীমান্ত হত্যা রোধে
জনগণের করনীয় এবং মাদক ও চোরাচালান বিরোধী জনসচেতনতার জন্য সীমান্ত এলাকায় মত
বিনিময় সভা, সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। উক্ত কার্যক্রমে স্থানীয় গণ্যমান্য
ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং প্রচুর লোকজন অংশ গ্রহণ করে।
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অত্যমত্ম তৎপর থাকার
কারণে বাংলাদেশ কর্তৃক দখলীয় জমি নিয়ে বিএসএফ ও স্থানীয় ভারতীয় নাগরিকরা কোন বিরুপ
কার্যক্রম করতে পারেনি।
তাছাড়াও অত্র সেক্টরের অধিনস্থ ৬ বর্ডার
গার্ড ব্যাটালিয়ন ২০১৪ সালে ৭৩ একর অপদখলীয় জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এছাড়া এই সীমান্তে এবছর বিএসএফ কর্তৃক গরম্ন ব্যবসায়ী ও মাদক
ব্যবসায়ী ধৃত হওয়া ও মৃত্যুবরণ অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় সীমিত ছিল।
